
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলায় প্রাণের পণ্যের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রেতারা। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া ও সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশের আমদানিকারকদের কাছ থেকে এসব ক্রয়াদেশ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বিস্কুট, নুডলস, বেভারেজ ও কনফেকশনারি পণ্যের চাহিদা ছিল বেশি।
চলতি বছরের গালফ ফুড ফেয়ারে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ থেকে আট হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রাণ গ্রুপ তাদের স্টলে প্রায় ৫০০ ধরনের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শুক্রবার বিষয়টি জানানো হয়।
প্রাণ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (রপ্তানি) মিজানুর রহমান বলেন,
“আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, সেন্ট্রাল ও সাউথ আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যেই আমরা নিয়মিত গালফ ফুড ফেয়ারে অংশ নিচ্ছি। এই মেলা নতুন পণ্য, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক ভোক্তা আচরণ সম্পর্কে ধারণা দেয়।”
অন্যদিকে, প্রাণ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (রপ্তানি—ইউরোপ ও আমেরিকা) গোলাম রসুল জানান, এবারের মেলায় ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ আমদানিকারক প্রাণের স্টল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জুস ও বেভারেজ, বিস্কুট ও বেকারি, স্ন্যাকস, নুডলস, মসলা, কুলিনারি এবং ফ্রোজেন ফুডস ক্যাটাগরির পণ্য প্রদর্শন করা হয়।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন,
“বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রাণের পণ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে প্রাণকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি খাদ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। এবারের মেলায় পাওয়া ক্রয়াদেশ দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।”
মন্তব্য করুন